হামাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার
গাজায় ইসরাইলি গণহত্যায় শহীদের সংখ্যা ৩৯ হাজার ছাড়াল
-
গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে গতকালের হামলায় আহত একজন ফিলিস্তিনিকে স্ট্রেচারে আনার দৃশ্য
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গতকাল সোমবার দক্ষিণ গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার কয়েক মিনিট পর খান ইউনিসের ওপর নতুন প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার বলেছে যে খান ইউনিসের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলিতে ইসরাইলি বিমান হামলা এবং কামানের গোলাগুলিতে কমপক্ষে ৭০ জন শহীদ হয়েছে। এ অঞ্চলকে মানবিক নিরাপদ অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করা সত্ত্বেও এখানে গণহত্যা চালাল দখলদার ইসরাইল।
গতকালের এই হামলায় আহত ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে খান ইউনিস অঞ্চলের চিকিৎসা কেন্দ্রে আনা হয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থাই বেশ গুরুতর। ইসরাইলের এই সর্বসাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞের ফলে গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ হাজার ৭৬ জনে উন্নীত হয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে। এদের বেশিরভাগই বেসামরিক নারী ও শিশু।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফরের আগে হত্যাযজ্ঞের এই ঘটনা ঘটাল। প্রায় প্রতিদিনই গাজায় ইসরাইলি হামলায় শহীদ হচ্ছে বহু ফিলিস্তিনি। ২৯০ দিনের ইসরাইলি সন্ত্রাসে গড় হিসেবে প্রতিদিন ১৩৪ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।
ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস গাজায় ইসরাইলের জাতিগত শুদ্ধি অভিযান বা গণহত্যা থামাতে জাতিসংঘসহ বিশ্ব-সমাজের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। ইসরাইল গাজার জনগণকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়ার বলদর্পি জোর প্রচেষ্টা চালানো সত্ত্বেও গাজার জনগণের মনোবল অটুট রয়েছে এবং তারা এ অঞ্চল ছেড়ে কোথাও যাবে না বলে হামাসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে বলেও তার দৃঢ়-অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেছে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।