আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বেরোবি ভিসি হাসিবুর
https://parstoday.ir/bn/news/event-i155594-আবু_সাঈদ_হত্যার_ঘটনায়_সম্পৃক্ত_ছিলেন_বেরোবি_ভিসি_হাসিবুর
বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার রুহুল আমিনের সাক্ষ্যগ্রহণ উঠে আসে এমন তথ্য।
(last modified 2025-12-29T10:40:40+00:00 )
ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ ১৬:৩৩ Asia/Dhaka
  • আবু সাঈদ হত্যার ঘটনা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ
    আবু সাঈদ হত্যার ঘটনা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার রুহুল আমিনের সাক্ষ্যগ্রহণ উঠে আসে এমন তথ্য।

সোমবার আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসিসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে ৩য় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন ট্রাইব্যুনালকে জানান, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে তদন্তে পাওয়া যায়।

এমনকি তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন বলেও জানান তিনি।

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন। তাদের মধ্যে একজন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।

তার বিষয়ে জবানবন্দিতে রুহুল আমিন বলেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করার ঘটনায় উসকানি দেন ও সহযোগিতা করেন তিনি।

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করতে উসকানি দেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এ ছাড়া তিনি গত বছরের ১১ জুলাই আবু সাঈদকে থাপ্পড় মারেন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন।#

পার্সটুডে/জিএআর/২৯