ব্রিটেনকে রাশিয়ার সতর্কবার্তা: ব্রিটিশ সামরিক অবস্থানও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে
https://parstoday.ir/bn/news/event-i162562-ব্রিটেনকে_রাশিয়ার_সতর্কবার্তা_ব্রিটিশ_সামরিক_অবস্থানও_লক্ষ্যবস্তু_হতে_পারে
পার্সটুডে- রাশিয়ার বিরুদ্ধে হামলায় ইউক্রেনের ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জোর দিয়ে বলেছেন: এখন থেকে এই হামলার জবাবে মস্কোর পাল্টা পদক্ষেপে ইউক্রেন ও এর বাইরে অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক লক্ষ্যবস্তুও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
(last modified 2026-08-27T12:17:50+00:00 )
আগস্ট ২৭, ২০২৬ ১৭:০৪ Asia/Dhaka
  • রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা
    রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা

পার্সটুডে- রাশিয়ার বিরুদ্ধে হামলায় ইউক্রেনের ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জোর দিয়ে বলেছেন: এখন থেকে এই হামলার জবাবে মস্কোর পাল্টা পদক্ষেপে ইউক্রেন ও এর বাইরে অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক লক্ষ্যবস্তুও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

আরআইএ নভোস্তি সংবাদ সংস্থাকে উদ্ধৃত করে ইরনা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন: আমরা লন্ডনের প্রতি আহ্বান জানাই এমন বৈরী মনোভাব পরিহার করার জন্য, যা ইউক্রেনীয় সংঘাতকে সম্পূর্ণ নতুন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলে ইউক্রেনের সামরিক পদক্ষেপের জবাবে জাখারোভা জোর দিয়ে বলেন, কিয়েভ কৃষ্ণ সাগরের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর জন্য একটি সামরিক হুমকি সৃষ্টি করছে।

সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন: জেলেনস্কির সরকার কৃষ্ণ সাগরের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর জন্য সামরিক হুমকি সৃষ্টি করে চলেছে।

রোমানিয়ার উপকূলে একটি ইউক্রেনীয় আত্মঘাতী ড্রোন ধ্বংস করার কথা স্মরণ করে জাখারোভা আরও বলেন: "ন্যাটো সদস্যদের এই বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া উচিত যে তারা ইউক্রেনকে যে অস্ত্র সরবরাহ করে তা তাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়।"

ইরনা জানিয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট মস্কোর নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি পশ্চিমাদের উদাসীনতার সমালোচনা করে দোনবাস অঞ্চলের দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেন। তিন দিন পর, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেন, যাকে তিনি একটি "বিশেষ অভিযান" বলে অভিহিত করেন, যার ফলে মস্কো-কিয়েভের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক একটি সামরিক সংঘাতে পরিণত হয়। রাশিয়ার এই পদক্ষেপের জবাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো ইতোমধ্যে মস্কোর বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং কিয়েভে শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন