প্রিন্টার মেশিন অচল: ভারত ও বাংলাদেশের বাণিজ্যে কোটি টাকার ক্ষতি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i74951-প্রিন্টার_মেশিন_অচল_ভারত_ও_বাংলাদেশের_বাণিজ্যে_কোটি_টাকার_ক্ষতি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে। পেট্রাপোল সেন্ট্রাল ওয়্যার হাউস কর্পোরেশনের (সিডব্লিউসি) প্রিন্টার মেশিন অচল হওয়ার কারণে বাণিজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এরফলে আমদানি শুল্ক উপার্জন বন্ধ হওয়া-সহ দৈনিক কয়েক কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ০২, ২০১৯ ১৮:০৭ Asia/Dhaka
  • প্রিন্টার মেশিন অচল: ভারত ও বাংলাদেশের বাণিজ্যে কোটি টাকার ক্ষতি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে। পেট্রাপোল সেন্ট্রাল ওয়্যার হাউস কর্পোরেশনের (সিডব্লিউসি) প্রিন্টার মেশিন অচল হওয়ার কারণে বাণিজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এরফলে আমদানি শুল্ক উপার্জন বন্ধ হওয়া-সহ দৈনিক কয়েক কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী  বলেন,  ‘কাস্টমসের যে প্রিন্টার মেশিন আছে, অর্থাৎ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট সংক্রান্ত যত নথি যেখান থেকে প্রিন্ট হিসেবে বেরোয় সেই প্রিন্টার মেশিন  খারাপ হয়ে পড়ে আছে। সেজন্য ৩১ অক্টোবর থেকে আজ পর্যন্ত এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট প্রায় থমকে আছে। মাত্র দুই-পাঁচ গাড়ি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট হয়েছে। দীর্ঘ চার মাস ধরে সেন্ট্রাল ওয়্যার হাউস কর্পোরেশনের তিন-চারটি প্রিন্টার অকেজো হয়ে পড়ে আছে। আমরা এব্যাপারে গত ২৯ সেপ্টেম্বরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। এরফলে ইমপোর্টজনিত শুল্ক থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি এক্সপোর্ট বন্ধ হওয়ায় আনুমানিক দৈনিক ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ক্ষতি হচ্ছে।’   

তিনি বলেন, ‘গোটা ভারতের মধ্যে এতবড় স্থল বন্দরকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু সিডব্লিউসি কোনও গুরুত্ব দেয়নি।বিকল্প হিসেবে একটা লোকাল প্রিন্টারের মাধ্যমে অতিপচনশীল পণ্যবাহী কিছু ট্রাককে বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।’

কার্তিক বাবু বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ সরকারি এজেন্সির অযোগ্যতা। এটা খুব খারাপ লাগে যে বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা, বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে আমাদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ শুনতে হচ্ছে!’  

বাণিজ্য সংস্থা ‘মনিরুল এন্ট্রাপ্রাইজ’-এর কর্ণধার মোকলেস সরদার নামে এক এক্সপোর্টার জানান, ‘সিডব্লিউসিতে প্রিন্টারের অচল হয়ে থাকায় বাণিজ্যের পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে পাঠাতে পারছি না। এরফলে দৈনিক অনেক টাকার ক্ষতি হচ্ছে। এতবড় স্থলবন্দর কিন্তু উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার অভাবে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’  

এশিয়ার বৃহত্তম পেট্রাপোল স্থলবন্দর থেকে দৈনিক কয়েকশ’ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য আমদানি-রফতানি হয় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। পেট্রাপোল ও বেনাপোল স্থলবন্দরের মধ্যে দৈনিক ৫০০/৪৫০ পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে যায়। একইভাবে বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দর থেকেও প্রায় ১৫০/২০০ পণ্যবাহী ট্রাক ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আসে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।