ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ইরানের ঐতিহাসিক আলমুদ দুর্গ
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i161690-ইউনেস্কোর_বিশ্ব_ঐতিহ্যের_তালিকায়_ইরানের_ঐতিহাসিক_আলমুদ_দুর্গ
পার্সটুডে- "আলমুদ দুর্গ এবং সংশ্লিষ্ট দুর্গগুলো" ইরানের ৩০তম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
(last modified 2026-07-26T09:47:36+00:00 )
জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৫:৪২ Asia/Dhaka
  • আলমুদ দুর্গ
    আলমুদ দুর্গ

পার্সটুডে- "আলমুদ দুর্গ এবং সংশ্লিষ্ট দুর্গগুলো" ইরানের ৩০তম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৮তম অধিবেশনে উত্তর তেহরানের কাজভিন শহরের "আলমুদ দুর্গ এবং সংশ্লিষ্ট দুর্গগুলোকে" বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিবন্ধিত এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সাতটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও প্রতিরক্ষামূলক কাঠামোর একটি শৃঙ্খলিত সংগ্রহ, যার মধ্যে রয়েছে আলমুদ, লাম্বসার, নুয়াইদারশাহ, শামস-কলায়ে, কাসতিন-লার, শিরকোহ এবং ইলান। এই প্রতিরক্ষামূলক নেটওয়ার্কটি পূর্ব ও পশ্চিম আলমুদ উপত্যকায় এবং আলবোর্জ পর্বতের দক্ষিণ ঢালে অবস্থিত।

একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যে নির্মিত এসব স্থাপনা সে সময়ের ভৌগোলিক জ্ঞান, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ পথ, প্রতিরক্ষামূলক স্থাপত্য এবং সুপরিকল্পিত নগর বিন্যাসের অনন্য উদাহরণ। রাজনৈতিক ও সামরিক গুরুত্বের পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক কমপ্লেক্সটি সে সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রও ছিল। প্রখ্যাত মুসলিম বিজ্ঞানী ও দার্শনিক খাজা নাসিরুদ্দিন তুসি-র নামও এ স্থানের সঙ্গে জড়িত।#

পার্সটুডে/এমএ‌আর/২৬