‘বি-টিম’ আমেরিকাকে আলোচনার টেবিল থেকে সরিয়ে নিয়েছে: জারিফ
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i71506-বি_টিম’_আমেরিকাকে_আলোচনার_টেবিল_থেকে_সরিয়ে_নিয়েছে_জারিফ
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, কূটনীতি ‘বি-টিম’র পছন্দ নয় এবং এই টিম আমেরিকাকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা থেকে বের করে নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, তাঁর কার্যালয় এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর আট শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর জারিফ এ মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ২৬, ২০১৯ ০১:৪০ Asia/Dhaka
  • ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ
    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, কূটনীতি ‘বি-টিম’র পছন্দ নয় এবং এই টিম আমেরিকাকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা থেকে বের করে নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, তাঁর কার্যালয় এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর আট শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর জারিফ এ মন্তব্য করেন।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়ে একথাও বলেছেন, শিগগিরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

জারিফ মঙ্গলবার রাতে এক টুইটার পোস্টে আরো লিখেছেন, “ইরান কখনোই আলোচনার টেবিল ত্যাগ করেনি; বরং যুদ্ধ বাধানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠা ‘বি-টিম’ আমেরিকাকে আলোচনার টেবিল থেকে বের করে নিয়েছে।”

তিনি তার এ পোস্টে ২০১৭ সালে বর্তমান মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনের লেখা একটি নিবন্ধ তুলে ধরেন যেখানে বোল্টন পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে উপদেশ দিয়েছিলেন।

জারিফের ঘোষিত বি-টিমের চার সদস্য

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বের চারজন যুদ্ধবাজ রাজনীতিককে ‘বি-টিম’ বলে অভিহিত করেন যাদের নামের আদ্যাক্ষর ইংরেজি ‘বি’ দিয়ে শুরু হয়েছে। ওই চার যুদ্ধবাজ রাজনীতিক হলেন ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন জায়েদ এবং মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ৮ মে গোটা বিশ্বের বিরোধিতা উপেক্ষা করে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে তার দেশকে বেআইনিভাবে বের করে নেন। এরপর থেকে ট্রাম্প একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছেন এবং অন্যদিকে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তেহরান ওয়াশিংটনকে সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, চাপ, হুমকি ও নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না।#

পার্সটুডে/মো. মুজাহিদুল ইসলাম/২৬