গাজার উদ্দেশ্যে ফ্রিডম ফ্লোটিলার নতুন মিশন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i162798-গাজার_উদ্দেশ্যে_ফ্রিডম_ফ্লোটিলার_নতুন_মিশন
পার্সটুডে- ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন অক্টোবরে গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং অঞ্চলটির অবরোধ ভাঙার চেষ্টার জন্য একটি নতুন আন্তর্জাতিক মিশন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।
(last modified 2026-09-06T10:58:04+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬ ১৫:০৬ Asia/Dhaka
  • • গাজার উদ্দেশ্যে ফ্রিডম ফ্লোটিলার নতুন মিশন
    • গাজার উদ্দেশ্যে ফ্রিডম ফ্লোটিলার নতুন মিশন

পার্সটুডে- ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন অক্টোবরে গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং অঞ্চলটির অবরোধ ভাঙার চেষ্টার জন্য একটি নতুন আন্তর্জাতিক মিশন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানিয়ান ব্রডকাস্টিং এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে পার্স টুডে জানিয়েছে, ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ঘোষণা করেছে, ইউরোপের বেশ কয়েকটি বন্দরে থামার পর অক্টোবরে কনভয়ের জাহাজগুলো গাজা উপকূলের দিকে তাদের যাত্রা অব্যাহত রাখবে।

কোয়ালিশনটি এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে: "আমরা আবার যাত্রা শুরু করছি কারণ ইসরায়েল গণহত্যা বন্ধ করেনি এবং ফিলিস্তিন এখনও স্বাধীন নয়।" কোয়ালিশনের মতে, এই মিশনের লক্ষ্য হলো গাজার অবরোধকে চ্যালেঞ্জ করা এবং এই অবরোধ শেষ করার জন্য ইউরোপে জনচাপ বৃদ্ধি করা।

বিবৃতি অনুসারে, "হানজালা ২" জাহাজটি জুন ও জুলাই মাসে নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কের বন্দরে থেমেছিল। আরেকটি জাহাজ, কেট, আগস্টে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল থেকে যাত্রা শুরু করে এবং তারপর থেকে আয়ারল্যান্ড, জার্মানি ও ফ্রান্সে থেমেছে। গাজার দিকে রওনা হওয়ার আগে জাহাজগুলোর স্পেন, পর্তুগাল এবং ইতালিতে থামার কথা রয়েছে এবং ফ্রিডম ফ্লোটিলা জোট ঘোষণা করেছে যে তারা অক্টোবরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছে।

মানবাধিকার কর্মী, শ্রমিক ইউনিয়ন, নির্বাচিত প্রতিনিধি, সাংবাদিক, চিকিৎসক এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের অন্যান্য সমর্থকরা এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন।

ফ্রিডম ফ্লোটিলা জোট আরও ঘোষণা করেছে যে, ইউরোপের প্রতিটি বন্দরে তারা স্থানীয় মানুষজনকে তাদের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বলবে, যাতে তারা ইসরায়েলে অস্ত্র ও জ্বালানি পাঠানো বন্ধ করে, দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা শেষ করে এবং এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এই মিশনে অংশগ্রহণকারী আমেরিকানদের একজন গাজায় যাওয়ার বিপদ সম্পর্কেও উল্লেখ করে বলেছেন: যদিও এই পদক্ষেপের সঙ্গে গুরুতর ঝুঁকি জড়িত, তবুও নীরবতা এবং নিষ্ক্রিয়তার জন্য ফিলিস্তিনি এবং বিশ্বকে আরও অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।

২০২৬ সালের বসন্তে এই কনভয়ের পূর্ববর্তী মিশনের সময় ইসরায়েলি বাহিনী শত শত অংশগ্রহণকারীকে আক্রমণ করে এবং আটক করে। স্বেচ্ছাসেবকরা আটক থাকাকালীন গুরুতর মারধর, হাড় ভাঙা, গুলির আঘাত, বারবার বৈদ্যুতিক শক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।