গণহত্যার জন্য অবশ্যই মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার করতে হবে: জাতিসংঘ
https://parstoday.ir/bn/news/world-i63834-গণহত্যার_জন্য_অবশ্যই_মিয়ানমারের_সেনাপ্রধানের_বিচার_করতে_হবে_জাতিসংঘ
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও গণধর্ষণের দায়ে দেশটির সেনাপ্রধানসহ ছয় শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। আজ (সোমবার) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারপারসন মারজুকি দারুসমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ২৭, ২০১৮ ১২:২৬ Asia/Dhaka
  • মিয়ানমারের সেনাপ্রধান
    মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও গণধর্ষণের দায়ে দেশটির সেনাপ্রধানসহ ছয় শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। আজ (সোমবার) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারপারসন মারজুকি দারুসমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, 'রাখাইন রাজ্যে গণহত্যার তদন্ত করে সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংসহ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।'

রাখাইন ছেড়ে পালাচ্ছেন রোহিঙ্গারা; পেছনে জ্বলছে তাদের ঘরবাড়ী

গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময়ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ 'জাতিগত নিধনযজ্ঞ' বলে অভিহিত করে বলেছিল, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ।

রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান প্রাণ বাঁচাতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, রাখাইনে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা ও ধর্ষণ করছে এবং তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে।

আজ জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনও তাদের প্রতিবেদনে রাখাইনে গণহত্যা ও গণধর্ষণের মতো অপরাধের কথা তুলে ধরেছে।

২০১৭ সালের মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গঠিত এই মিশনের প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। জাতিসংঘ এই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৮৭৫টি সাক্ষাৎকার নিয়েছে।#

পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/২৭

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন