তুরস্কের জাহাজ আটক করেছে লিবিয়ার হাফতার বাহিনী
https://parstoday.ir/bn/news/world-i76108-তুরস্কের_জাহাজ_আটক_করেছে_লিবিয়ার_হাফতার_বাহিনী
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে তৎপর ও স্বঘোষিত কমান্ডার জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী তুরস্কের একটি জাহাজ আটক করেছে। হাফতারের প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে তুরস্কের সরকার একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার পরপরই এই পদক্ষেপ নিলেন জেনারেল হাফতার। চুক্তিটি এরইমধ্যে তুরস্কের জাতীয় সংসদে অনুমোদন লাভ করেছে।
(last modified 2025-11-28T10:09:50+00:00 )
ডিসেম্বর ২২, ২০১৯ ১৪:৪১ Asia/Dhaka
  • তুরস্কের একটি জাহাজ (ফাইল ফটো)
    তুরস্কের একটি জাহাজ (ফাইল ফটো)

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে তৎপর ও স্বঘোষিত কমান্ডার জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী তুরস্কের একটি জাহাজ আটক করেছে। হাফতারের প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে তুরস্কের সরকার একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার পরপরই এই পদক্ষেপ নিলেন জেনারেল হাফতার। চুক্তিটি এরইমধ্যে তুরস্কের জাতীয় সংসদে অনুমোদন লাভ করেছে।

গতকাল (শনিবার) হাফতারের বাহিনীর মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, তুরস্কের ওই জাহাজটিকে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেরনা শহরের রাস আল-হিলাল বন্দরে নেয়া হয়েছে। সেখানে জাহাজটিকে আগাগোড়া তল্লাশি করা হয়।

হাফতারের বাহিনী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একটি ফুটেজ দিয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে- ওই বাহিনীর সদস্যরা তুরস্কের আটককৃত জাহাজটির তিন ক্রুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। হাফতারের বাহিনী তুরস্কের তিন নাগরিকের পাসপোর্টের কপি প্রকাশ করেছে। তবে জাহাজটিতে কী ধরনের পণ্য বহন করা হচ্ছিল তা জানা যায় নি।

তুরস্কের জাতীয় সংসদ

২০১৪ সালের পর থেকে লিবিয়া অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে এবং সেখানে কার্যত দুটি সরকার তৎপর রয়েছে। একদিকে জেনারেল হাফতার সমর্থিত পূর্বাঞ্চলীয় তবরুক শহর-ভিত্তিক একটি সরকার রয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘ স্বীকৃত ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় সরকার রয়েছে। তবে লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃত ত্রিপোলিভিত্তিক যে সরকার রয়েছে তার প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে তুরস্ক।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২২