-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-১২)
এপ্রিল ০৩, ২০২৩ ১৫:৩৮খোদা-সচেতনতা বা তাকওয়া অর্জন রোজার প্রধান লক্ষ্য।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-১১)
এপ্রিল ০৩, ২০২৩ ১৫:৩৪রমজানের প্রধান উদ্দেশ্য হল খোদা-সচেতনতা বা তাকওয়া অর্জন। মহান আল্লাহর ও খোদা-সচেতন ব্যক্তির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল দানশীলতা।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-১০)
এপ্রিল ০৩, ২০২৩ ১৫:৩২গত পর্বের আলোচনায় আমরা জেনেছি পার্থিব জীবনে মানুষ মরণশীল হলেও পরলোকে অমরত্ব লাভ করে বেহেশতে বা দোযখে।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-১০)
এপ্রিল ২৩, ২০২১ ১০:৪২গত পর্বের আলোচনায় আমরা জেনেছি পার্থিব জীবনে মানুষ মরণশীল হলেও পরলোকে অমরত্ব লাভ করে বেহেশতে বা দোযখে।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-৯)
এপ্রিল ০৩, ২০২৩ ১৫:০৪রোজার উদ্দেশ্য হল খোদা সম্পর্কে সদা-সচেতন থাকা। মহান আল্লাহকে সব সময় স্মরণে রাখলে ও আল্লাহ'র ক্ষমতা আর বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা মাথায় রাখলে মানুষ কখনও পাপ বা অন্যায় করতে পারে না।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-৮)
মার্চ ৩০, ২০২৩ ১৩:৫৮গত কয়েক পর্বে আমরা পবিত্র কুরআনের বর্ণনার আলোকে রোজা রাখার উদ্দেশ্য তথা মুত্তাকী বা খোদা-সচেতনতার অধিকারী ব্যক্তির নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করেছি।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-৭)
মার্চ ২৯, ২০২৩ ১৪:৫০রোজা রাখার মূল উদ্দেশ্যই হল তাক্ওয়া অর্জন। তাই খোদা-সচেতনতা তথা তাক্ওয়ার অধিকারী বা মুত্তাকি ব্যক্তির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমরা গত কয়েক পর্বে কথা বলেছি।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব-৬)
মার্চ ২৮, ২০২৩ ১৭:০১গত কয়েক পর্বে রমজানের মূল লক্ষ্য অর্জন তথা খোদাভীতি বা তাকওয়া অর্জনের নানা উপায় সম্পর্কে আমরা কথা বলেছি।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব- ৫)
মার্চ ২৮, ২০২৩ ১৬:৩৭রমজানের রোজা রাখার উদ্দেশ্য হল তাকওয়া বা খোদাভীতি তথা খোদা-সচেতনতা অর্জন। মহান আল্লাহ এ জন্যই রোজা ফরজ করেছেন মুমিনদের জন্য। একই কারণে রোজা রাখা অতীত যুগের তথা ইসলাম-পূর্ব যুগে নবী-রাসুলদের অনুসারী বা উম্মতের জন্যও ফরজ করা হয়েছিল বলে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন।
-
রমজান: খোদাপ্রেমের অনন্য উৎসব (পর্ব- ৪)
মার্চ ২৬, ২০২৩ ১১:৩৪রমজানের রোজা রাখার উদ্দেশ্য হল তাকওয়া বা খোদাভীতি তথা খোদা-সচেতনতা অর্জন। মহান আল্লাহ এ জন্যই রোজা ফরজ করেছেন মুমিনদের জন্য। একই কারণে রোজা রাখা অতীত যুগের তথা ইসলাম-পূর্ব যুগে নবী-রাসুলদের অনুসারী বা উম্মতের জন্যও ফরজ করা হয়েছিল বলে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন।