নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i102886-নোবেলজয়ী_ড._মুহাম্মদ_ইউনূসের_ব্যাংক_হিসাব_তলব
শান্তিতে নোবেলজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাব আবারো তলব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। এর আগে ২০১৬ সালে একবার ড. ইউনূস ও তার পরিবারের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছিল বিএফআইইউ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জানুয়ারি ২৪, ২০২২ ১৫:৪৫ Asia/Dhaka
  • ড. মুহাম্মদ ইউনূস
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস

শান্তিতে নোবেলজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাব আবারো তলব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। এর আগে ২০১৬ সালে একবার ড. ইউনূস ও তার পরিবারের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছিল বিএফআইইউ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বিএফআইইউ'র বৃহস্পতিবার পাঠানো চিঠিতে ড. ইউনূসের নামে কোনো ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড থাকলে তা মঙ্গলবারের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

বিএফআইইউর একজন কর্মকর্তা বলেন, আগে থেকে ড. ইউনূসের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য আমাদের কাছে আছে। নতুন করে কোনো অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে কিনা বা আগের অ্যাকাউন্টে লেনদেন পরিস্থিতির হালনাগাদ জানতে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন ব্যাংকের কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে ইউনূসের ব্যাংক হিসাব–সংক্রান্ত যে তথ্য রয়েছে, সেখান থেকেই দ্রুততার সঙ্গে তথ্য সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয় ওই চিঠিতে। এমনকি এ বিষয়ে ব্যাংকের শাখা পর্যায়ে কোনো যোগাযোগ না করার কথাও বলে দেওয়া হয় বিএফআইইউর পক্ষ থেকে।

তথ্যপ্রাপ্তির সুবিধার্থে বিএফআইইউর চিঠিতে ড. ইউনূসের দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (নতুন ও পুরোনো) নম্বরও উল্লেখ করে দেওয়া হয় বিএফআইইউর পক্ষ থেকে। বলা হয়েছে, যেসব ব্যাংকে তাঁর ব্যাংক হিসাব রয়েছে, সেসব ব্যাংক এ–সংক্রান্ত তথ্যের সফট কপি পাঠাতে হবে। আর যেসব ব্যাংকে হিসাব নেই, সেসব ব্যাংক ‘আমরা কোনো হিসাব সংরক্ষণ করি না’ লিখে বিএফআইইউকে বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠা করা গ্রামীণ ব্যাংক শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি নোবেল পান। ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ব্যাংকটিতে এমডি'র দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ড. ইউনূস। তবে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে সরকার তাকে এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলে হেরে যান।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।