সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপরাধে ভোগান্তি বাড়ছে নারীদের, টার্গেট প্রবাসীরা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i115566-সামাজিক_যোগাযোগ_মাধ্যমের_অপরাধে_ভোগান্তি_বাড়ছে_নারীদের_টার্গেট_প্রবাসীরা
বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। আর এই সাইবার অপরাধে ভোগান্তি বাড়ছে সাধারণ মানুষের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন মধ্যবয়সী নারী, পুরুষ এবং শিশুরা। শুধু ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রও এর শিকার। 
(last modified 2026-02-27T11:41:47+00:00 )
নভেম্বর ০৭, ২০২২ ১৭:০৪ Asia/Dhaka

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। আর এই সাইবার অপরাধে ভোগান্তি বাড়ছে সাধারণ মানুষের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন মধ্যবয়সী নারী, পুরুষ এবং শিশুরা। শুধু ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্রও এর শিকার। 

 পুলিশের তথ্য বলছে, ২০২১ সালে দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ২০ হাজারেরও বেশি নারী হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত হয়রানির শিকার হয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার মানুষ। ২০২১ সালে পুলিশ সদরদপ্তরের সাইবার সাপোর্ট ফর ওমেন (পিসিএসডব্লিউ) উইংয়ে ১২ হাজারের ও বেশি অভিযোগ এসেছে।

এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ তৎপর সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে। বিভিন্ন গোয়েন্দা নজরদারীর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনলাইনে যোগাযোগ মাধ্যম ‘ইমো’ হ্যাকার চক্রের মূলহোতাসহ ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ইমো হ্যাক করে সারাদেশেই অনেক বড় প্রতারণার জাল ফেলেছে একটি চক্র। ইমো হ্যাকার চক্রটি প্রথমে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে আইডি খোলে এবং বিভিন্ন ছবি আপলোড করে যার অধিকাংশই ভুয়া। তারা ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে বিদেশি নারী প্রবাসী শ্রমিকদের টার্গেট করে বিভিন্ন কথা বলে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরে তারা কৌশলে ইমো ব্যবহারকারী বিভিন্ন নারীর ছবি নিয়ে এবং কণ্ঠ রেকর্ড করে টাকা আদায় ও ব্ল্যাকমেইল করছে। 

সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের (সিসিএ ফাউন্ডেশন) সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ রেডিও তেহরানকে বলেন, সাইবার অপরাধ নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। সাইবার অপরাধ সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। অপরাধ মোকাবেলার সঙ্গে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। সাইবার অপরাধের প্রাথমিক বিষয় নিয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক কাউন্সেলিং করতে পারলে এসব অপরাধ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। একই সাথে সাইবার সচেতনতায় পাঠ্যবইয়ের প্রাথমিক স্তর থেকে শিশুদের সাইবার অ্যাওয়ারনেস বাড়ানোরও পরামর্শ দেন এই সাইবার বিশ্লেষক।#

পার্সটুডে/নিলয় রহমান/আশরাফুর রহমান/৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।