ভোটের মাঠের রাজনীতি
বিএনপি ভোটে এলে পুণঃতফসিল বিবেচনা করবে ইসি; পশ্চিমা দেশগুলোর সমঝোতা চাপের অংশবিশেষ
বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি চলমান। পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ চাপকে পাশে ঠেলে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকার।
বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি চলমান। পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ চাপকে পাশে ঠেলে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকার। এক্ষেত্রে কোন ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে আরেকটি একতরফা নির্বাচনের আশঙ্কা করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
যদিও ২০১৪ সাল এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল দেশে-বিদেশে। সেজন্য এবার বেশ আগে থেকেই আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিভিন্ন সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তাগাদা দিয়ে আসছিলো।
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির উৎসব চললেও ভিন্ন চিত্র বিএনপি অঙ্গনে। আর মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না- সে বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেনি দলটির হাইকমান্ড। তবে দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু গণমাধ্যমকে বলেছেন, দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের ৩০ নভেম্বরের আগে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
এমন অবস্থায় বিএনপি নির্বাচনে আসতে চাইলে পরিস্থিতি বিবেচনায় পুনঃতফসিলের ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ সোমবার সকালে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের একথা জানান নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। তিনি বলেন, বিএনপিসহ নির্বাচনে আসতে না চাওয়া দলগুলো ভোটে এলে, আইন অনুযায়ী সুযোগ তৈরি করে দেয়া হবে। বিভাজন ভুলে নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করলে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশন প্রাণান্তর চেষ্টা করবে বলেও জানান, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।এ প্রসঙ্গে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিপপ এর চেয়ারম্যান ড. নাজমূল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন,পশ্চিমা দেশগুলোর সমঝোতা চাপের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের এমন বক্তব্য। তবে যে কোন ভাবেই সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন কাম্য বলেই মনে করেন এ নির্বাচন বিশ্লেষক। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/২০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।