কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিনিধি দল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i65462-কুতুপালং_রোহিঙ্গা_ক্যাম্প_পরিদর্শনে_জয়েন্ট_ওয়ার্কিং_গ্রুপের_প্রতিনিধি_দল
বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের অবস্থা জানতে আজ সকালে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন বাংলাদেশ-মিয়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিনিধি দল। মিয়ানমারের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ৩১, ২০১৮ ১৪:১৯ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা   মুসলমান
    বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমান

বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের অবস্থা জানতে আজ সকালে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন বাংলাদেশ-মিয়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিনিধি দল। মিয়ানমারের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের নেতৃত্বে আজ (বুধবার)  সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রায় ৩০ সদস্যের প্রতিনিধি দল কক্সবাজার পৌঁছে উখিয়ার কুতুপালং ডি- ক্যাম্পের উদ্দেশ্য রওনা হন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দলটি কুতুপালং পৌঁছায়। এ সময় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ক্যাম্প পরিদর্শন ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলছেন।

এ বিষয়ে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এবং প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান মো. আবুল কালাম গণমাধ্যমকে জানান, প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত নিতে মিয়ানমারে যেসব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে সে বিষয়েও তাদের অবহিত করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে যে, মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের কাজ নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি নাগাদ শুরু করা হবে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ এর সভা শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, ‘নভেম্বরের মাঝামাঝি নাগাদ প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।’

পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের তৃতীয় বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব মিন্ট থোয়ে।

সভা শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মো. শহীদুল হক বলেন, ‘ফেরত পাঠানো সব সময়ই একটি জটিল ও কঠিন প্রক্রিয়া। কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে একটি ফলপ্রসূ সমাধান সম্ভব। আজ আমরা অনুধাবন করতে পেরেছি যে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য আমাদের উভয় পক্ষেই দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে।’

তবে, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এর পক্ষ থেকে কথা বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের মতো উপযোগী পরিবেশ এখনও মিয়ানমারের রাখাইনে তৈরি হয় নি। এ অবস্থায় তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে অথবা অপরিপক্ব উপায়ে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২৯