রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের ভূমিকা ইতিবাচক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
-
ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেকের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা যথেষ্ট ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য চায়, রোহিঙ্গারা নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাক।
আজ (রোববার) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে, ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেকের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন তিনি।
প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদেশে থাকা পলাতক সব খুনি ও দণ্ডিতদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
নিজের আসন্ন ভারত সফরে সম্পর্কে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ভারতে আমার সফর হবে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সম্প্রীতির। তবে সেখানে আলোচনার বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জার্মানি সফর প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সফরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে গেলে দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে সাইড লাইনে বৈঠক হতে পারে।
অনলাইন মিডিয়া বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা : তথ্যমন্ত্রী
এদিকে, অনলাইন মিডিয়া বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, অনলাইনের প্রয়োজন আছে। দেশের অনেক অনলাইন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সংবাদ পরিবেশন করছে। কিছু অনলাইনের এ দায়বদ্ধতা নেই। সম্প্রচার নীতিমালা পাস হলে অনলাইনগুলোর নিবন্ধন হবে। ইতিমধ্যে অনেক অনলাইনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
আজ (রোববার) দুপুরে বঙ্গবন্ধু হলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দায়িত্ব নেয়ার শুরু থেকে সাংবাদিকদের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান করার চেষ্টা করছি। আমি স্বপ্রণোদিত হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গেছি। রিপোর্টাস ইউনিটিতে গেছি। আজ নিজের শহরে সাংবাদিকদের মিলনমেলায় আসতে পেরেছি। নির্বাচনের পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তথ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাব উত্থাপন করেছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ বহুদূর এগিয়েছে। বদলে যাওয়ার ভেতর দিয়ে যাচ্ছি বলে আমরা অনুধাবন করছি না। কবিতায় কুঁড়েঘর আছে বাস্তবে নেই। ক্ষুধাকে জয় করেছি আমরা। দারিদ্র্য ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। যে ইশতেহার দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হবে।#
পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/২৭
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন