রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৯২০ মিলিয়ন ডলার তহবিল চেয়েছে জাতিসংঘ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i68147-রোহিঙ্গাদের_জন্য_আরও_৯২০_মিলিয়ন_ডলার_তহবিল_চেয়েছে_জাতিসংঘ
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নয় লাখের অধিক রোহিঙ্গা এবং ঝুঁকিতে থাকা ৩ লাখ ৩০ হাজারের অধিক স্থানীয় বাংলাদেশির বিপুল চাহিদা পূরণে জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থা ও এনজিও অংশীদারগুলো ৯২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৯ ০৪:৩৭ Asia/Dhaka
  • রোহিঙ্গা শরণার্থী
    রোহিঙ্গা শরণার্থী

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নয় লাখের অধিক রোহিঙ্গা এবং ঝুঁকিতে থাকা ৩ লাখ ৩০ হাজারের অধিক স্থানীয় বাংলাদেশির বিপুল চাহিদা পূরণে জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থা ও এনজিও অংশীদারগুলো ৯২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে।

শুক্রবার জাতিসংঘ সংস্থা ও সহযোগী এনজিওগুলো যৌথভাবে তৃতীয়বারের মতো রোহিঙ্গাদের জন্য যৌথ সহায়তা পরিকল্পনা ২০১৯ ঘোষণা করেছে। নতুন পরিকল্পনায় জাতিসংঘ সংস্থাগুলোসহ মোট ১৩২টি সংস্থা কাজ করবে।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) শুক্রবার জেনেভা থেকে এ বিষয়ে একটি যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, এ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের অর্ধেকের বেশি দরকার হবে খাদ্য, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও আশ্রয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য ও সেবায়। তহবিল আবেদনে আরও রয়েছে- স্বাস্থ্য, এলাকা ব্যবস্থাপনা, শিশুসহ অন্যদের রক্ষা, যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা রোধ, শিক্ষা ও পুষ্টি।

অ্যান্তোনিও ভিটোরিনো

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও ভিটোরিনো বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের একাত্মতা ও মানবিক সাহায্যকারীদের অঙ্গীকার ২০১৮ সালে প্রথম জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব করেছে। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে আমরা এসব জনগোষ্ঠীর ভীষণ প্রয়োজনগুলো পূরণে আমাদের প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি করছি এবং এ প্রচেষ্টায় সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই।’

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় এনজিও এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থাসহ মোট ১৩২ অংশীদারকে সাথে নিয়ে এ যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো উদ্বাস্তু নারী, পুরুষ ও শিশুদের নিরাপত্তা ও জীবন রক্ষাকারী সহায়তা দেয়া এবং সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধি করা।

২০১৮ সালের জেআরপি তহবিলে চাহিদা ছিল ৯৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপরীতে পাওয়া যায় ৬৯ শতাংশ বা ৬৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এছাড়া আগে থেকে দুই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৬

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন