বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গে হামলার পরিকল্পনা করছে ইসলামিক স্টেট বা আইএস!
বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গে হামলার পরিকল্পনা করছে ইসলামিক স্টেট বা আইএস! । ইসলামিক স্টেটকে সমর্থনকারী একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া একটি পোস্টারে এমনই ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে আজ ঢাকার অনলাইন পত্রিকায় এ খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে অনলাইনে প্রচারিত পোস্টারটিতে বাংলায় লেখা রয়েছে,”শীঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ”। মুরসালাত নামে আইসিস-এর একটি শাখা সংগঠনের লোগোও রয়েছে পোস্টারের গায়ে। শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ হামলার পর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এই পোস্টারটিকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে চার্চ ও অভিজাত হোটেলে ভয়াবহ সিরিজ হামলায় ‘প্রায় ২৫৩ জন’ নিহত হন। এছাড়া হামলায় পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন।
তবে, বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম আজ জানিয়েছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি থাকলেও কোনো শঙ্কা নেই। তার দাবি, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা হামলার পর বাংলাদেশের জঙ্গিদের কিছুটা উজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টার প্রমাণ পাওয়া গেলেও কোনো নাশকতা চালানোর সক্ষমতা তাদের নেই।
এছাড়া, ভয়াবহ বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১১ বাংলাদেশি শ্রমিককে। শুক্রবার রাতে দেশে আসার পর বিমানবন্দর থেকেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।
এই শ্রমিকরা কলম্বোতে একটি তামার কারখানায় কাজ করতেন। সেটির মালিক ইব্রাহিম ইনসাফ আহমেদ সিরিজ বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত। এ কারণে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়েছে শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষ।
আর এই শ্রমিকদের বেশিরভাগই টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার কারণে তাদের বৈধ ওয়ার্ক পারমিটও নেই। অনেকের ভিসার মেয়াদও শেষ। এই প্রেক্ষাপটে এ শ্রমিকদের বাংলাদেশ মিশনে হস্তান্তর করে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ মিশন তাদের দেশে ফেরত পাঠায়।
তবে, কাউন্টার টেরোরিজম বলছে, কারখানায় কাজ করার সুবাদে তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার ইব্রাহিম ইনসাফের দেখা হলেও বাংলাদেশী শ্রমিকদের নিরীহ বলেই মনে হচ্ছে।#
পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২৭