ইরানে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত গাউসুল আজম সরকার
-
এ এফ এম গাউসুল আজম সরকার
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা শাখার মহাপরিচালক এ এফ এম গাউসুল আজম সরকারকে ইরানে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গাউসুল আজম সরকার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) ফরেন অ্যাফেয়ার্স ক্যাডারের ১৯৮৬ সালের ব্যাচের কর্মকর্তা। কূটনৈতিক কর্মজীবনে তিনি এর আগে লেবানন ও সুইডেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি হংকং, কায়রো, কাঠমান্ডু ও প্যারিসে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ কে এম মুজিবর রহমান ভূঁইয়াকে দেশে ফিরে আসতে গত এপ্রিলে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের জন্য জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদকে গত মার্চে তেহরানে পাঠানো হয়। তদন্ত শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি প্রতিবেদন জমা দেন। এরপরই মুজিবর রহমানকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয়া হয়।
এদিকে, লেবাননে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এএফএম গাউসুল আজম সরকারকে দেশে ফেরত আসার নির্দেশ দেয় সরকার। ২০১৪ সালে দূতাবাসের এক কর্মীকে আটকে রেখে কাজ করানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এর পরপরই বৈরুতে দূতাবাসের কার্যক্রম ‘ঠিকভাবে’ পরিচালনা না করায় রাষ্ট্রদূত গাউসুল আজমকে দেশে ডেকে পাঠানো হয়। অবশ্য শেখ মো. আবদুর রহমান নামের ওই দূতাবাসকর্মী দেশে ফিরে গণমাধ্যমের কাছে কাছে বলেছেন- ‘এসবই মিথ্যা অভিযোগ, ষড়যন্ত্র’।
শেখ আবদুর রহমান সে সময় বলেছিলেন, লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই কর্মীর ‘প্ররোচনায়’ তিনি ‘মিথ্যা’ বক্তব্যসম্বলিত ছুটির আবেদন করেন। ওই আবেদনপত্রে রাষ্ট্রদূত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করা হয়েছিল।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১১