স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদ্প্তরের প্রভাবশালীদের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতারণা: পুলিশের ব্রিফিং
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i81554-স্বাস্থ্য_মন্ত্রণালয়_ও_অধিদ্প্তরের_প্রভাবশালীদের_পৃষ্ঠপোষকতায়_প্রতারণা_পুলিশের_ব্রিফিং
বাংলাদেশে করোনা মহামারীর মাঝে স্বাস্থ্য সেবা খাতে অব্যবস্থা, অনিয়ম, প্রতারণা ও দুর্নীতির খবর এখন সর্বমহলে উদ্বেগ ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ঘিরে কখনো প্রকাশ পাচ্ছে তাঁদের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের চিত্র। আবার কখনো খবর আসছে, দুজনের  একই সুতোয় বাঁধা।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ১৮, ২০২০ ১৫:৩৪ Asia/Dhaka

বাংলাদেশে করোনা মহামারীর মাঝে স্বাস্থ্য সেবা খাতে অব্যবস্থা, অনিয়ম, প্রতারণা ও দুর্নীতির খবর এখন সর্বমহলে উদ্বেগ ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ঘিরে কখনো প্রকাশ পাচ্ছে তাঁদের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের চিত্র। আবার কখনো খবর আসছে, দুজনের  একই সুতোয় বাঁধা।

ইতোমধ্যে প্রতারণার দায়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে পরিচালিত রিসেন্ট হাসপাতাল। গ্রেফতার করা হয়েছ বহুল আলোচিত প্রতারক  মোহাম্মদ সাহেদ, ডাক্তার সাব্রিনা ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে। দুদক ও এনবিআরও তদন্তে নেমেছে।

ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়ে গেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মধ্য সমন্বয়হীনতা। দাবি উঠছে নেপথ্য কুশীলবদের নাম প্রকাশ ও তাদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

এ অবস্থায় রিজেন্ট ও জেকেজি’র বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত অগ্রগতি নিয়ে মহানগর পুলিশ আজ সংবাদ ব্রিফিং করে জানিয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদ্প্তরের প্রভাবশালী মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় আটক অপরাধীরা প্রতারণার সুযোগ পেয়েছে। সরকারি অফিসের কারা এর সাথে জড়িত তা চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ের নিকট রিপোর্ট করবে পুলিশ। তারপর ঠিক করা হবে এখানে কোনো ক্রিমিনাল আফেন্স হয়েছে কিনা।

উল্লেখ্য, রিজেন্ট হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার কথা আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন সেখানে সরকারের নিযুক্ত দুই চিকিৎসক।

রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে চুক্তির পর সরকার থেকে নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসক শরীফ সাম্মিরুল আলম গত ১৫ মে হাসপাতালটির অব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের সচিবকে চিঠি পাঠান। পরদিনই তাঁকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে বদলি করা হয়। ওই দিনই তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) চিকিৎসক আশরাফুল আলম। তিনিও অব্যবস্থাপনার কথা জানিয়ে ২৩ মে সচিবকে আরেকটি চিঠি পাঠান।

সরকার কর্তৃক ডেপুটেশনে নিযুক্ত দু’জন চিকিৎসক চিঠি পাঠানোর পরও পরিস্থিতির উন্নয়নে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ চিকিৎসক সমাজ। তাছাড়া,  নিম্নমানের সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবাকর্মীদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলার ঘটনার জন্য দায়িদের ব্যাপারে এখনো তদন্ত শেষ করে আইনের আওতায় না আনায় ক্ষোভের মাত্রা আরো তীব্র হচ্ছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।