গাজা উপত্যকায় ‘সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি’ প্রতিষ্ঠার খবর সত্য নয়: হামাস
https://parstoday.ir/bn/news/event-i139524-গাজা_উপত্যকায়_সম্ভাব্য_যুদ্ধবিরতি’_প্রতিষ্ঠার_খবর_সত্য_নয়_হামাস
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় অচিরেই একটি ফল পাওয়া যাবে বলে মার্কিন গণমাধ্যম যে খবর দিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ১২, ২০২৪ ১১:১৮ Asia/Dhaka
  • গাজার সুজাইয়্যা এলাকায় ইসরাইলি ধ্বংসলীলা
    গাজার সুজাইয়্যা এলাকায় ইসরাইলি ধ্বংসলীলা

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় অচিরেই একটি ফল পাওয়া যাবে বলে মার্কিন গণমাধ্যম যে খবর দিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

একটি মার্কিন দৈনিকে বুধবার এ খবর প্রচারিত হয় যে, গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত একটি কাঠামোর ব্যাপারে ইসরাইল ও হামাস উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। কিন্তু হামাসের একাধিক সূত্র এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে ‘নতুন কিছু’ নেই এবং অচিরেই কোনো ‘ফল পাওয়ার’ আশা করা বৃথা।

সূত্রগুলো আরো বলেছে, মধ্যস্থতাকারীরা যখন একটি চুক্তির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তখন বেশ কিছু বাধা রয়ে গেছে এবং ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অব্যাহতভাবে চুক্তির পথে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যাচ্ছেন।

বুধবার মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট একজন অজ্ঞাত মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত একটি কাঠামোর ব্যাপারে ইসরাইল ও হামাস উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। এখন এটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তবে হামাসের সূত্রগুলো বলছে, ওয়াশিংটন পোস্টে যা লেখা হয়েছে তা সত্য নয় এবং যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

গত জানুয়ারি মাস থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। হামাস গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও  উপত্যকা থেকে সকল ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার চায়; যদিও ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার ভাষায় ‘হামাসকে ধ্বংস করার’ আগ পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ করতে নারাজ। অন্যদিকে হামাস বলেছে, এই প্রতিরোধ সংগঠনকে ধ্বংস বা দুর্বল করা সম্ভব নয় বরং ইসরাইল ধ্বংস হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিরোধ চলবে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/এমএআর/১২