২ মাসের যুদ্ধবিরতিতে হবে বন্দি বিনিময়
গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে: রিপোর্ট
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় বেশ খানিকটা অগ্রগতি হয়েছে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। এটি বলেছে, যুদ্ধবিরতির আলোচনায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে বন্দি বিনিময় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সূত্রটি সোমবার আল-আরাবি আল-জাদিদকে বলেছে, হামাসের পক্ষ থেকে গাজায় তাদের হাতে আটক ইসরাইলি পণবন্দিদের একটি তালিকা মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরাইলি প্রতিনিধিদল নামের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখছে বলেও ওয়াকিবহাল সূত্রটি জানিয়েছে।
এটি বলেছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো অপ্রত্যাশিতভাবে অনেক কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আর এ পরোক্ষ আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে মিশর, কাতার, তুরস্ক ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
আল-আরাবি আল-জাদিদ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরোক্ষ আলোচনায় একটি ইসরাইলি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। আলোচনার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে এমন চার ইসরাইলি পণবন্দিকে গাজা থেকে মুক্তি দেয়া হবে যাদের মার্কিন নাগরিকত্ব রয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, হামাস ৬০ দিনের একটি অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে যাচ্ছে যে সময়টিতে অবরুদ্ধ গাজায় অবাধে খাদ্য, চিকিৎসা সামগ্রী ও জ্বালানী প্রবেশ করতে দেয়া হবে। মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীরা আশা করছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সময়সীমা বেধে দিয়েছেন তার মধ্যেই গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, তিনি ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করার আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দেখতে চান।#
পার্সটুডে/এমএমআই/১০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।