রোববার পর্যন্ত গণহত্যা চালাতে চায় তেল আবিব
যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার দিনও গাজায় ৬২ জনকে হত্যা করল ইসরাইল
-
গতকাল, ১৪ জানুয়ারি, গাজার দেইরাল বালাহয় শহীদ ৫ বছরের এক শিশুর জানাজা
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত করার দিন বুধবারও এই উপত্যকায় ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়েছে মানবতার শত্রু ইহুদিবাদী ইসরাইল। এ দিন উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে চালানো বিমান হামলায় অন্তত ৬২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।
বুধবার নিহতদের মধ্যে দু’জন সাংবাদিক রয়েছেন বলে গাজা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজার মধ্যাঞ্চলীয় দেইরাল বালাহ এলাকার একটি বাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাত বছরের একটি শিশু ও তিন কিশোর রয়েছে।
ওই এজেন্সি জানিয়েছে, গাজার একটি স্কুলে আশ্রয় গ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদিবাদী বিমান হামলায় আরো সাতজন নিহত হন। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে তৃতীয় বিমান হামলা চালায় দখলদার সেনারা। ওই হামলায় অন্তত ছয় গাজাবাসী শহীদ হন। বুধবারের চতুর্থ হামলা চালানো হয় গাজা সিটির শাতি শরণার্থী শিবিরে। ওই হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন।
ইহুদিবাদী ইসরাইল বিগত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকা জুড়ে অন্তত ৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে তারা গাজা সিটির নিকটবর্তী জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের অধিবাসীদের ওই শিবির খালি করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ওই নির্দেশ থেকে বোঝা যায়, রোববার যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগে গাজা উপত্যকায় আরো গণহত্যা চালাতে চায় তেল আবিব।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে জাবালিয়া ও এর আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে এসেছে দখলদার সেনারা। তারা গত কয়েক মাসে জাবালিয়া এলাকাটি কঠোরভাবে অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে সেখানে আটকে পড়া ফিলিস্তিনিরা খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সামগ্রী ও আশ্রয়স্থলের ভয়াবহ সংকটে কষ্ট পেয়েছেন।#
পার্সটুডে/এসআই/১৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।