অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুর টিকা কিউডেঙ্গা, স্বস্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
https://parstoday.ir/bn/news/event-i163740-অস্ট্রেলিয়ায়_প্রথমবারের_মতো_ডেঙ্গুর_টিকা_কিউডেঙ্গা_স্বস্তিতে_প্রবাসী_বাংলাদেশিরা
পার্সটুডে- মশাবাহিত প্রাণঘাতী রোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো অনুমোদন পেয়েছে কিউডেঙ্গা টিকা। দেশটির থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল টিকাটি নিবন্ধন করেছে। চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্করা এই টিকা নিতে পারবেন।
(last modified 2026-10-06T14:01:21+00:00 )
অক্টোবর ০৬, ২০২৬ ১৯:৫৪ Asia/Dhaka
  • কিউডেঙ্গা টিকা
    কিউডেঙ্গা টিকা

পার্সটুডে- মশাবাহিত প্রাণঘাতী রোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো অনুমোদন পেয়েছে কিউডেঙ্গা টিকা। দেশটির থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল টিকাটি নিবন্ধন করেছে। চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্করা এই টিকা নিতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ায় ডেঙ্গুর টিকা সহজলভ্য হওয়ার খবরে দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ছুটির মৌসুমে বাংলাদেশে সপরিবার ভ্রমণকারী প্রবাসীদের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশসহ ডেঙ্গুপ্রবণ দেশে ভ্রমণের সময় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও অনেক অভিভাবক চিন্তিত থাকেন।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কিউডেঙ্গা ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। টিকাটি দুই ডোজে দেওয়া হয় এবং প্রথম ডোজের তিন মাস পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়।

অস্ট্রেলিয়ার টিকাদানবিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি (ATAGI) ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কিউডেঙ্গার ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী এবং ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করা ব্যক্তিদের জন্য টিকাটি এখন চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে ডেঙ্গুপ্রবণ অঞ্চলে নিয়মিত ভ্রমণ করেন এমন ব্যক্তিদের জন্য টিকাটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হতে পারে। তবে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি মশার কামড় এড়ানো, মশারি ও রিপেলেন্ট ব্যবহারসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

কিউডেঙ্গার ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কমানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। TGA জানিয়েছে, শিশুদের ওপর পরিচালিত বড় একটি গবেষণায় দ্বিতীয় ডোজের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিশ্চিত ডেঙ্গু সংক্রমণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের এই অনুমোদন এমন সময়ে এলো, যখন দেশটির বাইরে ভ্রমণের মাধ্যমে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো ডেঙ্গুপ্রবণ দেশে ভ্রমণকারী অস্ট্রেলিয়াবাসীদের তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় কিউডেঙ্গার অনুমোদন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ বাংলাদেশে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে নিয়মিত যাওয়া-আসা করা পরিবারগুলো এখন ভ্রমণের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সুরক্ষার সুযোগ নিতে পারবেন।#

পার্স টুডে/এমবিএ/০৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।