ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে ১,০০০টিরও বেশি উন্নত ব্যবস্থা ও অস্ত্র
-
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ি-নিক
পার্সটুডে-ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে বর্তমানে ১,০০০টিরও বেশি উন্নত ব্যবস্থা ও অস্ত্র রয়েছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর ফলে প্রতিপক্ষের সামরিক হিসাব-নিকাশে প্রভাব পড়েছে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনীর লজিস্টিকস বিভাগের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ি-নিক বলেন, ইসলামি বিপ্লবের আগে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে মাত্র ৩১ ধরনের পণ্য উৎপাদিত হতো। এর অনেকগুলোই ছিল সাধারণ ধরনের সরঞ্জাম। উদাহরণ হিসেবে তিনি G3 রাইফেল-এর কথা উল্লেখ করেন, যা মূলত সংযোজন করা হতো এবং শতভাগ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ছিল না।
তিনি জানান, বর্তমানে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে ১,০০০টিরও বেশি উন্নত সামরিক ব্যবস্থা, সরঞ্জাম ও আধুনিকায়িত অস্ত্র দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে।
তালায়ি-নিক বলেন, এসব প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এখন ইরানের তরুণ প্রকৌশলী ও শিল্প বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে এবং উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্পসমৃদ্ধ দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। গত কয়েক দশকে এটি ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের চেহারায় মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।
এই অগ্রগতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হলো ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প। কয়েক দশক ধরে ইরান ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহাব, কাদর, এমাদ, কিয়াম, জুলফিকার, খোররামশহর, সেজ্জিল, খাইবারশেকান ও হাজ কাসেম ক্ষেপণাস্ত্র পরিবার।
এসব ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে পাল্লা বৃদ্ধি, নির্ভুলতা বাড়ানো, গতিশীলতা উন্নত করা এবং সামরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।#
পার্সটুডে/এনএম/২২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন