ইরান একটি আধা-বৈশ্বিক যুদ্ধের মোকাবিলা করেছে: ইরাকের প্রতিরোধ দলের প্রধান
-
হাশদ আশ-শাবির প্রধান আল-ফাইয়াদ
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে পশ্চিম এশিয়া অস্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অবনতির মুখে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন আল-ফাইয়াদ। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসনে ইরাকের হাশদ আশ-শাবি বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছে।
হাশদ আশ-শাবির প্রধান জানান, প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের বিভিন্ন সদর দপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই আগ্রাসনে হাশদ আশ-শাবির ১০০ জনের বেশি সদস্য নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস একটি জাতীয় বাহিনী, যা ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সব এলাকায় উপস্থিত রয়েছে এবং দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আল-ফাইয়াদ আরও বলেন, নিজেদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ইরাকের অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে হাশদ আশ-শাবির দৃঢ় সম্পর্ক ও ব্যাপক সমন্বয় রয়েছে। তিনি জানান, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের ভূমিকা ও এর দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত। ইরাকের জনগণও এই বাহিনীকে নিজেদের নিরাপত্তা, আস্থা ও শান্তির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে।
হাশদ আশ-শাবি: ৩০ সেপ্টেম্বর ইরাকের জাতীয় ও সার্বভৌম দিবস
এদিকে, ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের মুখপাত্র মাহান্দ আল-আকাবি বলেছেন, ৩০ সেপ্টেম্বর ইরাক থেকে সব বিদেশি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের কারণে একটি সার্বভৌম ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস ইরাকের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়ক এবং নির্ভরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোও ইরাকের রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি অনুগত ও দায়বদ্ধ। হাশদ আশ-শাবির এই মুখপাত্র বলেন, প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও সরকারের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে সমন্বয় ও বোঝাপড়া তৈরিতে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস ভূমিকা রাখছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের অধীন এবং তাঁর অনুমতি ছাড়া কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।#
পার্সটুডে/এমবিএ/২০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন