বিশ্লেষণ | ৪০ দিনের যুদ্ধের পর আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় পরিবর্তন
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i163510-বিশ্লেষণ_৪০_দিনের_যুদ্ধের_পর_আমিরাতের_আকাশ_প্রতিরক্ষায়_বড়_পরিবর্তন
পার্সটুডে- ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। এতে দেশটির কয়েক দশকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হয়।
(last modified 2026-09-29T10:42:29+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১৬:২৮ Asia/Dhaka
  • বিশ্লেষণ | ৪০ দিনের যুদ্ধের পর আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় পরিবর্তন

পার্সটুডে- ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। এতে দেশটির কয়েক দশকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হয়।

কিছু হামলা প্রতিহত করতে পারলেও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ধ্বংসাবশেষ আবুধাবি ও দুবাইয়ের আবাসিক এলাকায় পড়ে এবং ক্ষয়ক্ষতি হয়।

যুদ্ধের পর আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দ্রুত বিপুল পরিমাণ নতুন অস্ত্র কেনার উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে ৪৫০ কোটি ডলারের দূরপাল্লার রাডার ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারের এফ-১৬ জঙ্গিবিমান ও গোলাবারুদ এবং ১২২ কোটি ডলারের ৪০০টি মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।

এ ছাড়া ছোট ড্রোন মোকাবিলায় ২১০ কোটি ডলারে ১০টি ‘এফএস লিডস’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২১ কোটি ডলার।

অন্যদিকে, দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও বেড়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের সময় ইসরায়েল আমিরাতকে লেজার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও আয়রন ডোমের কিছু সক্ষমতা ব্যবহারে সহায়তা করেছে।

একই সঙ্গে আমিরাত অস্ত্রের উৎসে বৈচিত্র্য আনতে মিসরের ‘আমুন’ ব্যবস্থা এবং ইউক্রেনের ড্রোন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির প্রতিও আগ্রহ দেখাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, ৪০ দিনের যুদ্ধের পর আমিরাত তিনটি দিকে এগোচ্ছে—মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় বিনিয়োগ, ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি এবং এর বাইরেও বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংগ্রহ।#

পার্সটুডে/এসএ/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।