-
ইসলামী বিপ্লবের নেতার সমর্থনে নাজাফ ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি
জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ ১৯:০৬পার্সটুডে-নাজাফ ওলামা পরিষদ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতার সমর্থনে একটি বিবৃতি দিয়েছে।
-
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী পদে নুরি আল-মালিকির মনোনয়নে ট্রাম্পের ক্ষোভ: মালিকির জবাব
জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ ২০:৫২ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি পোস্ট দিয়েছেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন:
-
ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: সৌদি আরব
জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ ১৬:০৮পার্সটুডে-মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং এ অঞ্চলে ইসরায়েলি হুমকি বৃদ্ধির পর ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষায় ইসলামী দেশগুলো সমর্থনমূলক এবং সতর্কীকরণ অবস্থানের একটি ঢেউ সৃষ্টি করেছে।
-
নৌবহরের ছায়ায় কূটনীতি: যুক্তরাষ্ট্র কেন ইরানের জন্যও ইরাক ও লিবিয়ার ছক কষছে?
জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ ১০:১০পার্সটুডে: পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে, ওয়াশিংটন সামরিক হুমকির পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে পুরোনো এক দৃশ্যপট আবার সক্রিয় করেছে: ‘হুমকি – শর্তসাপেক্ষ আলোচনা – হামলা’।
-
হাদিসা গণহত্যা; মার্কিন সামরিক বাহিনীর নৃশংস আচরণের আরেকটি উদাহরণ
জানুয়ারি ২৭, ২০২৬ ১০:৫৯পার্সটুডে- হাদিসা গণহত্যা ইরাকে মার্কিন দখলদারিত্বের সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনাগুলির মধ্যে একটি। রাস্তার পাশে বোমা বিস্ফোরণে একজন মার্কিন সৈন্য নিহত হলে ২০০৫ সালের ১৯ নভেম্বর হাদিসা গণহত্যা চালায় মার্কিন মেরিন সেনারা। ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তারা ২৪ জন ইরাকি বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে। এই ঘটনাটি কেবল নিহতের সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং সংঘটিত সহিংসতার ধরণ এবং এর আইনি ও নৈতিক পরিণতির দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে এই গণহত্যাকে ১৯৬৮ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনামে মাই লাই গণহত্যার অনুরূপ বলে মনে করেন।
-
স্বাধীনতা নাকি ধ্বংস? ইরাকে ২৩ বছর মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে একজন সাংবাদিকের বিবরণ
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ১৬:৪৩পার্সটুডে- ইরাকে ২৩ বছর ধরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিষয়ে পর্যালোচনা করে সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার একজন প্রতিবেদক এই মার্কিন সামরিক উপস্থিতির সময়কালকে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি থেকে অনেক দূরে ইরাকিদের জন্য একটি অন্তহীন দুঃস্বপ্ন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
-
দায়েশ বন্দিদের ইরাকে স্থানান্তর: সিরিয়ার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ও বিশ্ব প্রতিক্রিয়া
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ ১৮:৫৪পার্সটুডে: উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যাওয়া এবং দায়েশ (আইএস) সদস্যদের পলায়ন বা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে, যুক্তরাষ্ট্র এই গোষ্ঠীর বন্দিদের ইরাকে স্থানান্তর শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে, এই বন্দিদের বিচার, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব কার—তা নিয়েও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে।
-
নিরুত্তাপ নির্বাচন; কেন ইরাকি শিয়া জোট আবারও মালিকির কাছে গেল?
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ ১৭:০৭পার্সটুডে-ইরাকি শিয়া সমন্বয় কাঠামো এক বিবৃতি দিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে "নুরি আল-মালিকি"কে মনোনয়নের ঘোষণা দিয়েছে। সেইসাথে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানিয়েছে।
-
যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে ব্যাপক জনবিক্ষোভ: ইরানের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ ১৩:৩৭পার্সটুডে-লেবানন ও ফিলিস্তিনের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সাথে সংহতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
-
ইরানসহ এ অঞ্চলে ইহুদিবাদীদের লক্ষ্য হলো ইসলামী দেশগুলোকে বিভক্ত করা: কালিবফ
জানুয়ারি ২০, ২০২৬ ১৮:৩৯পার্সটুডে-ইরানের সংসদ মজলিসে শুরার স্পিকার বলেছেন: ইহুদিবাদী ইসরাইল আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থনের অপব্যবহার করে একটি আঞ্চলিক সামরিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার চেষ্টা করছে।