-
লেবানন অভিমুখী ইরানি জ্বালানী তেলের বহরে বিমান হামলা
নভেম্বর ০৯, ২০২২ ১০:২৭লেবানন অভিমুখী ইরানি জ্বালানী তেলের ট্যাংকারের একটি বহরে বিমান হামলা হয়েছে। ইরাকি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরাক-সিরিয়া সীমান্ত অতিক্রম করার সময় ওই হামলা হয়।
-
ইরাকের সঙ্গে সামরিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে প্রস্তুত ইরান: সেনাপ্রধান
নভেম্বর ০৮, ২০২২ ০৫:৫৭ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি বলেছেন, প্রতিবেশী ইরাকের সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্প ও সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে প্রস্তুত তেহরান।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪৪): যুদ্ধের ময়দানে ইরানি যোদ্ধাদের আল্লাহর স্মরণ
নভেম্বর ০৫, ২০২২ ১৩:৩৯আগ্রাসী সাদ্দাম বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানি যোদ্ধারা আল্লাহকে স্মরণ করতেন এবং অবসরে জিকির-আসগারে মশগুল থাকতেন। তাদের কাছে আল্লাহর স্মরণ ও তাঁকে রাজি-খুশি রাখা ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে তারা যুদ্ধে জয়-পরাজয়কে অতোটা গুরুত্ব দিতেন না। এই মানসিক শক্তি নিয়েই তারা অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে ন্যুনতম অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করার সাহস পেতেন।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪২): তরুণ রণকৌশলবিদ ও কমান্ডার শহীদ হাসান বাকেরি (২)
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৭:১৭ইরাকের আগ্রাসী সাদ্দাম সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় কেউ যদি ইরানি শিবিরগুলোতে যেতেন তাহলে তিনি এক অদ্ভুত বিষয় দেখতে পেতেন। তিনি দেখতেন, নিরীহ প্রকৃতির ঈমানদার কিছু মানুষ নানা কাজে ব্যস্ত রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ধর্মকর্ম পালন করার প্রতি আগ্রহ প্রবল। একেবারেই মনে হয় না যে, এই মানুষগুলো সাদ্দামের মতো একজন রুক্ষ শাসকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য এখানে সমবেত হয়েছেন। ইরানের শিবিরগুলোকে সে সময় মানুষ তৈরির কারখানা বলা হতো।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪১): তরুণ রণকৌশলবিদ ও কমান্ডার শহীদ হাসান বাকেরি (১)
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৭:০৫গত কয়েক আসরে আমরা ইরানের সেই কমান্ডারদের নিয়ে আলোচনা করেছি যারা ইসলামি বিপ্লব ও তাদের মাতৃভূমি ইরানকে রক্ষা করার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছিলেন। এসব কমান্ডার ছিলেন ঈমান, আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধ সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধের সময় কেউ ইরানের সেনা সমাবেশে প্রবেশ করলে বুঝতেই পারত না সেখানে কে কমান্ডার আর কে সাধারণ সৈনিক।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪০): কয়েকজন ঈমানদার ইরানি কমান্ডার
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:২০আগ্রাসী ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ইরানি সৈন্য ও কমান্ডাররা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ এবং তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন বলেই বিজয়ী হয়েছিলেন। এ সম্পর্কে পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধে শহীদ ইরানি কমান্ডার হাজি ইব্রাহিম হেম্মাত তার যোদ্ধাদের বলেন: “আপনারা যখনই কোনো কাজ করতে যাবেন তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করুন। এটা করতে পারলেই আমাদের বিজয় নিশ্চিত।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৯): যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানি যোদ্ধাদের আল্লাহর স্মরণ
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:১২গত তিন আসরে আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে তিনজন শহীদ ইরানি কমান্ডারের খোদাভীরুতা ও পরহেজগারি নিয়ে আলোচনা করেছি। আগ্রাসী ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানি শিবিরগুলোতে যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ বিরাজ করত তার উদারহণ দিতে গিয়ে আমরা শহীদ আব্বাস বাবায়ি, শহীদ মোহাম্মাদ বোরুজেরদি ওরফে মাসিহ কুর্দিস্তান এবং শহীদ সাইয়্যেদ হোসেইন আলামুল হুদার জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করেছি।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৮): শহীদ কমান্ডার হোসেইন আলামুল হুদা
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:০৩১৯৭৯ সালে ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হওয়া পর ইরানি জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী হয় এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার প্রসার ঘটে। তবে যুদ্ধের ময়দানে ইরানি যোদ্ধাদের মধ্যে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের যে অভাবনীয় বিকাশ দেখা গিয়েছিল সেটা শুধুমাত্র বিপ্লব পরবর্তী ওই পরিবেশের কারণে হয়নি।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৭): ইরানি কমান্ডার শহীদ মোহাম্মাদ বোরুজেরদি
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১১:৫৬ইরানি জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কথা বলছিলাম আমরা। ইরানের তরুণ ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস অত্যন্ত গভীর ছিল বলেই তারা স্বৈরাচারী শাহ সরকার উৎখাতের আন্দোলনে একজন আলেমকে নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিল। ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর মতো একজন আধ্যাত্মিক নেতার নেতৃত্বে ইরানি জনগণ এদেশের মাটি থেকে আড়াই হাজার বছরের রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা উৎখাত করেছিল।
-
ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৬): ইরানি সাহসি যোদ্ধা ও কমান্ডার আব্বাস বাবায়ি
নভেম্বর ০১, ২০২২ ১১:৪৯প্রকৃতপক্ষে ইরাক-ইরান যুদ্ধে জয়-পরাজয় নির্ধারণে যে বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে তা ছিল ইরানি যোদ্ধাদের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস। পরকালকে সামনে রেখে পার্থিব জীবনকে সাজিয়ে নেয়ার নামই ধর্মীয় বিশ্বাস। এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী একজন মানুষ পৃথিবীর কোনো ঘটনাকেই পরকালের সঙ্গে সম্পর্কহীন মনে করেন না বরং তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করেন পৃথিবীতে তিনি যা কিছু করেন তার প্রতিটি কাজের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতে হবে।