৬ মাসে ৩৯৯ শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার শিকার: বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i71817-৬_মাসে_৩৯৯_শিশু_ধর্ষণ_ও_ধর্ষণচেষ্টার_শিকার_বিভিন্ন_মহলের_প্রতিক্রিয়া
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ছ’মাসে বাংলাদেশে ৩৯৯ জন শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। এ সময় যৌন নির্যাতনের কারণে একজন ছেলে শিশুসহ মোট ১৬ জন শিশু মারা গেছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুলাই ০৮, ২০১৯ ১৬:৩০ Asia/Dhaka

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ছ’মাসে বাংলাদেশে ৩৯৯ জন শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। এ সময় যৌন নির্যাতনের কারণে একজন ছেলে শিশুসহ মোট ১৬ জন শিশু মারা গেছে।

ছ’টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ৪০৮টি সংবাদ বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।  

এর আগে ২০১৮ সালে ৩৫৬টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। এদের মধ্যে মারা গিয়েছিল ২২ জন এবং আহত হয়েছিল ৩৩৪ জন।

শিশু ধর্ষণের ঘটনা আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এক বিবৃতিতে অভিভাবক, শিশু সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা ও তরুণদের সম্মিলিতভাবে এই অপরাধ ঠেকাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে, বরিশালের একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খালেদা ইয়াসমিন রেডিও তেহরানকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেশীরভাগ শিক্ষিকা  এখন  মহিলা। তাই তারা তাদের ছাত্রীদের এ বিষয়ে সচেতন করতে পারেন এবং তাদের মায়েদেরও পরামর্শ দিতে পারেন যাতে কোমলমতি শিশুরা  এরকম সহিংসতা থেকে সাবধান থাকতে পারে। 

শিশু নির্যাতন নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন সাংবাদিক ও গবেষক আফসান চৌধুরী। তিনি গণমাধ্যামকে বলেছেন, আমাদের দেশে কয়েক মাস ধরে দেখা যাচ্ছে নির্যাতিত শিশুকে হত্যাও করা হচ্ছে। এটা শিশুদের প্রতি সহিংসতার একটি নতুন মাত্রা।

আফসান চৌধুরী বলেন, আগের তুলনায় হিংসাত্মক ঘটনা বেশি হচ্ছে, এ ছাড়া আগের তুলনায় এখন ঘটনাগুলো বেশি জানাজানি হচ্ছে। এখন অনেক বাবা-মা পুলিশের কাছে যাচ্ছে। সামাজিক প্রতিরোধ হচ্ছে। এর ফলে নির্যাতনকারী অনেক সময় নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই শিশুটিকেই হত্যা করছে।

আফসান চৌধুরী বলেন, একটা হিংসাত্মক সমাজ যেখানে যে কেউ যেকোনো সময় মারা যেতে পারে। সেখানে শিশুর নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই নাজুক অবস্থায় আছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।