সাকিবের নৈপুণ্যে অবশেষে আফগানিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i73859-সাকিবের_নৈপুণ্যে_অবশেষে_আফগানিস্তানকে_হারাল_বাংলাদেশ
ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেলের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে আফগানদের কাছে টানা চার ম্যাচ হারের পর অবশেষে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের নৈপুণ্যে জয়ের দেখা পেল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ ১৯:০৬ Asia/Dhaka
  • সাকিবের নৈপুণ্যে অবশেষে আফগানিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ

ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেলের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে আফগানদের কাছে টানা চার ম্যাচ হারের পর অবশেষে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের নৈপুণ্যে জয়ের দেখা পেল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে আজ (শনিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মাঠে নামে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান।ফাইনালের আগে নিয়মরক্ষার ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলপতি সাকিব আল হাসান। ব্যাট করতে নেমে  নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে আফগানরা তোলে ১৩৮ রান।

১৩৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৯ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। মুজিব উর রহমানের বলে আসগর আফগানের তালুবন্দি হওয়ার আগে লিটন করেন ৪ রান। দলীয় ১২ রানের মাথায় বিদায় নেন আরেক ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। অভিষিক্ত নাভিন উল হকের বলে রশিদ খানের হাতে ধরা পড়ার আগে শান্ত ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। 

তবে সে অবস্থা দলকে টেনে বের করেন অধিনায়ক অধিনায়ক সাকিব। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৫৮ রানের জুটি। দলীয় ৭০ রানের মাথায় বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে করিম জানাতের বলে শফিকউল্লাহর হাতে বন্দী হোন মুশফিক। সাজঘরে ফেরার আগে তিনি করেন ২৫ বলে ২৬ রান। 

মুশফিকের পরপরই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬), সাব্বির রহমান (২) ও আফিফ হোসেনকে (২) হারিয়ে কিছুটা বিপদে পড়ে টাইগাররা। তবে মোসাদ্দেক হোসেনকে (১৯) নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান সাকিব। তার অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮টি চার ও ১ ছক্কায়। বাংলাদেশ ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে করে ১৩৯ রান।

৫৮ রানের জুটি গড়েন সাকিব-মুশফিক

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭৫ রানের বিশাল ওপেনিং জুটি পেয়ে বসে সফরকারীরা। হজরতুল্লাহ জাজাইকে ফিরিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন আফিফ হোসেন। জাজাইকে ৪৭ রানে ফেরানোর পর আসগর আফগানকে (০) তুলে নেন তিনি।

আফিফের পরের ওভারে আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। তার কাটার বুঝতে না পেরে লিডিং এজে ফেরেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তার আগে ২৭ বলে দুই চার, দুই ছক্কায় করেন ২৯ রান। ৬ বলে ৪ রান করা মোহাম্মদ নবীকে বিদায় করেন সাকিব। দলীয় ৮৮ রানের মাথায় আফগানরা চতুর্থ উইকেট হারায়। আর ১ রান করা গুলবাদিন নাইব রানআউট হন দলীয় ৯৬ রানের মাথায়।

১০০ রানের আগেই ৫ উইকেট হারানো আফগানিস্তানের আর কেউ তেমন কিছু করতে পারেনি। শেষদিকে শফিকউল্লাহ ২৩ ও রশিদ খান ১১ রানে অপরাজিত থাকেন। 

সাকিব ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নেন একটি উইকেট। আফিফের বোলিং ফিগার ৩-১-৯-২। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ২৩ রান খরচায় তুলে নেন একটি উইকেট। শফিউল ইসলাম ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে একটি এবং মোস্তাফিজ ৩ ওভারে ৩১ রানের বিনিময়ে তুলে নেন একটি উইকেট।

অপরাজিত ৭০ রান ও এক উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পান সাকিব আল হাসান।#

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২১

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন