জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ, নতুন উচ্চতায় তামিম-লিটন জুটি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78052-জিম্বাবুয়েকে_হোয়াইটওয়াশ_করল_বাংলাদেশ_নতুন_উচ্চতায়_তামিম_লিটন_জুটি
সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ১২৩ রানে জিতে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে আবার হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এর আগে জিম্বাবুয়েকে চারবার হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
মার্চ ০৬, ২০২০ ২০:৩৩ Asia/Dhaka
  • ওপেনার লিটন দাস এবং তামিম ইকবাল দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তোলেন ২৯২ রান
    ওপেনার লিটন দাস এবং তামিম ইকবাল দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তোলেন ২৯২ রান

সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ১২৩ রানে জিতে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে আবার হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এর আগে জিম্বাবুয়েকে চারবার হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।

আজ (শুক্রবার) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৩২২ রান। আর বৃষ্টি আইনে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪২। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সবক'টি উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে থামে ২১৮ রানে। আর তাতেই বাংলাদেশ দল ১২৩ রানের জয় তুলে নেয়। এটি অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির ৫০তম জয়।

বাংলাদেশের ৩২২ রানের জবাব দিতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই মাশরাফির বলে কামুনহুকামুয়েকে (৪) ফিরতে হয়। এরপর রোডেশিয়ানদের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দিন। ফেরেন অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর (১৪)। দলীয় ২৮ রানেই ফেরেন দুই টপ অর্ডার। এরপর অধিনায়ক শন উইলিয়ামসকে নিয়ে বিপর্যয় সামলান চাকাবা। তবে ওয়ানডেতে অভিষিক্ত আফিফের প্রথম শিকার হয়ে ফিরতে হয় উইলিয়ামসকে (৩০)। এরপর মাধেভেরকে সঙ্গে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন চাকাবা। কিন্তু দলীয় ১১৩ রানে তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে চাকাবা (৩৪) ফিরলে ভাঙে এই জুটি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে সিকান্দার রাজার সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়েন মাধেভের। সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাধেভের (৪২) যখন ফিরলেন তখন সফরকারীদের অপেক্ষা কেবল হারের। রোডেশিয়ানদের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে অদ্ভুতুড়ে এক রান আউটে। রিচমন্ড মুতুম্বামি ফেরেন কোনো রান যোগ না করেই। টিনোনেডা মুতুম্বোদজি (৭), ত্রিপানো (১৫) আর শুমা (০) ফিরলে বাংলাদেশ সহজ জয় তুলে নেয়।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট তুলে নেন সাইফ। দুই উইকেট পান তাইজুল। এছাড়া একটি করে উইকেট পান মাশরাফি, মিরাজ ও মোস্তাফিজ।

অধিনায়ক মাশরাফির শেষ ম্যাচটি স্মরণীয় রইল দুই তরুণ তারকা মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও আফিফ হোসেন ধ্রুবর কাছেও

এর আগে, প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তামিম ইকবাল দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তোলেন ২৯২ রান। যা যে কোনো উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর দেশের ইতিহাসে তামিম ইকবালের ১৫৮ রানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে লিটন দাস খেলেন ১৭৬ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। এর আগে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ১৯৯৯ সালে শাহরিয়ার হোসেন এবং মেহরাব হোসেনের ১৭০ রানের।

১১৪ বলে ১৩টি চারে শতক পূর্ণ করেন লিটন। এরপর বৃষ্টি বাধায় ম্যাচ বেশ কিছু সময় বন্ধ ছিল। বিরতি থেকে ফিরে ইনিংসের ৩৯তম ওভারে নিজের শতক পূর্ণ করেন তামিম। ৯৮ বলে ১০০ রান করতে তামিম হাঁকান ৫টি চার এবং ৪টি ছয়।

শেষ পর্যন্ত তামিম ইকবাল অপরাজিত থাকেন ১০৯ বলে ১২৮ রানে। আর আফিফ হোসেন ৪ ও রিয়াদ ৩ রান করলে বাংলাদেশের মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৩২২ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন কার্ল মুম্বা।

আজকের খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পেয়েছেন লিটন দাস। তিনি তামিম ইকবালের সঙ্গে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য সিরিজ পুরস্কারও পেয়েছেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।