'ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে অংশ নেয়ায় ইউরোপকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে'
https://parstoday.ir/bn/news/event-i163424-'ইরানের_বিরুদ্ধে_আগ্রাসনে_অংশ_নেয়ায়_ইউরোপকে_জবাবদিহির_আওতায়_আনতে_হবে'
পার্সটুডে: ​​​​​​​ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিবের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক আগ্রাসনে ভূমিকা ও অংশগ্রহণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
(last modified 2026-09-26T15:18:55+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ২১:১১ Asia/Dhaka
  • ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি
    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি

পার্সটুডে: ​​​​​​​ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিবের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক আগ্রাসনে ভূমিকা ও অংশগ্রহণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

বাকায়ি তার এক্স অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে লিখেছেন, এটি ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের পক্ষ থেকে এমন আরেকটি সরাসরি স্বীকারোক্তি যে, যুদ্ধজুড়ে বারবার অস্বীকার করা সত্ত্বেও ইউরোপ জেনেশুনে এবং সক্রিয়ভাবে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি আগ্রাসী যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।

তিনি আরও বলেছেন, ইইউ, এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোকে তাদের সম্পৃক্ততার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। এর মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক, রসদগত কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত, যা প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে অবদান রেখেছে। একইসঙ্গে এর এমন পরিণতির জন্যও তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, যার প্রভাব এখনো অনুভূত হচ্ছে।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, আগ্রাসনে সমর্থন বা অংশগ্রহণের জন্য তাদের সরকারগুলো যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেসব বিষয়ে ইউরোপীয় নাগরিকদের নিজ নিজ সরকারের কাছে জবাব দাবি করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

বাকায়ি বলেন, এই বেআইনি যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং অন্যান্য যে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা-ও পর্যালোচনা করা উচিত; বিশেষ করে এই যুদ্ধ সংঘটিত ও এতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় সরকারগুলোর ভূমিকার আলোকে বিষয়টি তদন্ত করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, ন্যাটোর মহাসচিব হিসেবে মার্ক রুটের ভূমিকা এবং তার কর্তৃত্বের অধীনে নেয়া পদক্ষেপগুলোও তদন্ত ও পর্যালোচনার আওতায় আনা উচিত। #

পার্সটুডে/এমএএইচ /২৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।