বিশ্লেষণ | হেক্সাকপ্টার ‘রুজুম’: যুদ্ধক্ষেত্রের চাহিদা মেটাতে ইয়েমেনের নতুন ড্রোন
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i162518-বিশ্লেষণ_হেক্সাকপ্টার_রুজুম’_যুদ্ধক্ষেত্রের_চাহিদা_মেটাতে_ইয়েমেনের_নতুন_ড্রোন
পার্সটুডে- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সামরিক ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে। এর মধ্যে ইয়েমেনের তৈরি ‘রুজুম’ হেক্সাকপ্টার কাছাকাছি এলাকায় নজরদারি, স্থলবাহিনীকে আকাশ সহায়তা এবং হালকা সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ পরিবহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি।
(last modified 2026-08-25T14:53:46+00:00 )
আগস্ট ২৫, ২০২৬ ২০:৫৩ Asia/Dhaka
  • ড্রোন
    ড্রোন

পার্সটুডে- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সামরিক ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে। এর মধ্যে ইয়েমেনের তৈরি ‘রুজুম’ হেক্সাকপ্টার কাছাকাছি এলাকায় নজরদারি, স্থলবাহিনীকে আকাশ সহায়তা এবং হালকা সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ পরিবহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি।

পার্সটুডে জানিয়েছে, ছয়টি মোটর থাকায় ‘রুজুম’ প্রতিকূল আবহাওয়া ও পাহাড়ি এলাকায় তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীলভাবে উড়তে পারে। এর ঘোষিত বহনক্ষমতা ৪০ কেজি এবং কার্যকর পাল্লা ১০ কিলোমিটারের বেশি। ফলে এটি শুধু নজরদারি নয়, সামনের সারির সেনাদের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ পৌঁছে দেওয়ার কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব।

কমপ্যাক্ট আকারের কারণে ড্রোনটি ছোট আকারের এবং সহজেই বহনযোগ্য।  বিভিন্ন স্থানে এটি সহজেই মোতায়েন করা যায়। শহর ও পাহাড়ি এলাকায় উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণের সক্ষমতাও এটিকে বাড়তি সুবিধা দেয়। নাইট-ভিশন ক্যামেরা ও সেন্সর যুক্ত করলে শত্রুপক্ষের অবস্থান ও গতিবিধি শনাক্ত করাও সম্ভব।

‘রুজুম’-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কম খরচে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন, সহজ রক্ষণাবেক্ষণ এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী এর নকশা। এটি কোনো অত্যাধুনিক কৌশলগত ড্রোনের বিকল্প নয়; বরং স্থলবাহিনীকে দ্রুত ও কাছাকাছি আকাশ সহায়তা দেওয়ার জন্য তৈরি একটি কৌশলগত হাতিয়ার।

ভবিষ্যতে হালকা নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র বহনের মাধ্যমে এর ভূমিকা আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে পদাতিক ইউনিট পর্যায়েও এ ধরনের ড্রোনের ব্যবহার যুদ্ধের ধরনকে আরও বদলে দিতে পারে।#

পার্সটুডে/এসএ/২৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন