• ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৭ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৭ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৭ ১৩:৩৭

    স্বৈরাচারী শাহের বাহিনী ১৯৭৮ সালের ৪ নভেম্বর ছাত্র বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ৫৬ জনকে হত্যা করার পর আন্দোলন আরও তীব্রতর হয়। শাহ তার অতীত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন থেকে তার বক্তব্য প্রচার করা হয়। ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি তিনি সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। এর একদিন পরই ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠার শ্লোগান নিয়ে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী শরীফ ইমামী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

  • আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামি বিপ্লবের জনপ্রিয়তার নেপথ্যে

    আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামি বিপ্লবের জনপ্রিয়তার নেপথ্যে

    ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৭ ১৩:০৪

    আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামি বিপ্লব এতো গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা পাবার নেপথ্যে কোন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, এরকম একটা কৌতূহল অনেকের মাঝেই দেখা যায়। সহজ করে বলতে গেলে এর কারণ আসলে মানবীয় প্রকৃতির সঙ্গে বিপ্লবের মিল, বিপ্লবের প্রগতিশীলতা এবং যৌক্তিকতা। বিশ্ব শক্তিগুলো কিংবা তাদের মিত্ররা প্রত্যাশা করুক বা নাই করুক বিপ্লব কিন্তু তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিশ্বের মজলুম জনগোষ্ঠিকে জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবেই।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৬ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৬ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৭ ১২:০৩

    ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই বিপ্লবী আন্দোলনে যোগ হয় নতুন মাত্রা। দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ধর্মঘট শুরু হয়। ৯ই সেপ্টেম্বর ইরানের সর্ববৃহৎ তেল শোধনাগারের কর্মচারী ও শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করে। এর পরপরই দেশের অন্যান্য শহরের তেল স্থাপনাগুলোতেও ধর্মঘট শুরু হয়। এর ফলে কার্যত তেল উত্তোলন ও রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৫ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৫ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৭ ১১:৫৯

    পরিস্থিতি ক্রমেই প্রতিকূল হতে দেখে স্বৈরাচারী শাহ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। শাহের সেনারা বিপ্লবীদের অবস্থান দুর্বল করার জন্য চেষ্টা জোরদার করে। ইরানের শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ ১৯৭৮ সালের ১৮ আগস্ট এক সাক্ষাৎকারে তার ভীত-সন্ত্রস্ত হবার বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন। এ পর্বে এসব বিষয়েই আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৪ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৪ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৭ ১১:৫১

    ১৯৭৮ সালের ২৯ শে মার্চ। পরিস্থিতি তখনও থমথমে। মানুষ শাহের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ। কোমের বিক্ষোভে গুলির পর তাব্রিজের শোকানুষ্ঠানে নৃশংস হামলা; মানুষের ধৈর্যের বাধ যেন ভেঙ্গে যাচ্ছিল। তাব্রিজের শহীদদের স্মরণে শোকানুষ্ঠান শেষ করেই ক্ষুব্ধ জনতা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসে। তারা প্রকাশ্যে শাহের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। হত্যাকান্ডের পুণরাবৃত্তির ব্যাপারে মানুষরূপী হায়েনাদের সতর্ক করে দেয়া হয়।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৩ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৩ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:৫৬

    ১৯৬৪ সালের চৌঠা নভেম্বর ইমামের নির্বাসিত জীবনের সূচনা হবার পর ইরানে স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলেও বিপ্লবের প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়নি। ইমাম খোমেনী (রহ.) নির্বাসনে থেকেই ইরানিদেরকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সময় তিনি তার প্রিয় সন্তানকে হারান। এ পর্বে এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হবে।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-২ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-২ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:৫২

    ইমাম খোমেনী (রহ:)-র নির্বাসিত জীবনের সূচনা হয় ১৯৬৪ সালের ৪ নভেম্বর। তুরস্কে ১১ মাস রাখার পর ইমামকে ইরাকে পাঠানো হয়। ইমাম খোমেনী (রহ:)-কে ইরান থেকে সরিয়ে দেয়ার পর শাহ বিরোধী আন্দোলন সাময়িকভাবে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-১ (স্লাইডশো)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-১ (স্লাইডশো)

    ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৪:৫৮

    ইরানের ইসলামী বিপ্লব, বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রাজতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের কষাঘাতে নিস্পেষিত ইরানি জনগণ ইমাম খোমেনী (রহ.)-র নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে এই বিপ্লব সফল করেন।

  • ইরানের ইসলামি বিপ্লবের দিনগুলি (৫-৮ পর্ব)

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবের দিনগুলি (৫-৮ পর্ব)

    ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ০৭:৩২

    ইরানের স্বৈরশাসক শাহের বাহিনীর হাতে সে সময় যারা শহীদ হতো, তাদের স্মরণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো এবং অংশগ্রহণকারীরা শাহ বিরোধী আন্দোলনকে আরও বেগবান করার শপথ গ্রহণ করত। এর ফলে আন্দোলন ক্রমেই আরও জোরদার হতে থাকে। এক পর্যায়ে গোটা ইরান বিক্ষোভের দেশে পরিণত হয়।