আনসারুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়ার সৌদি অনুরোধ নাকচ করল আমেরিকা: ইসরায়েলি মিডিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/event-i162644-আনসারুল্লাহর_বিরুদ্ধে_যুদ্ধে_নেতৃত্ব_দেয়ার_সৌদি_অনুরোধ_নাকচ_করল_আমেরিকা_ইসরায়েলি_মিডিয়া
পার্সটুডে: ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রকে “ইয়েমেনে আনসারুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার” অনুরোধ করেছিলেন। তবে ওয়াশিংটন সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
(last modified 2026-08-30T12:44:04+00:00 )
আগস্ট ৩০, ২০২৬ ১৬:২৩ Asia/Dhaka
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও  সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান

পার্সটুডে: ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রকে “ইয়েমেনে আনসারুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার” অনুরোধ করেছিলেন। তবে ওয়াশিংটন সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

কান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বিন সালমানের এক বৈঠকে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এই অনুরোধ জানানো হয়।

ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমটি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ওয়াশিংটন রিয়াদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর অন্যতম কারণ হলো, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।

সূত্রটি আরও জানায়, তা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন বিন সালমানকে বলেছে যে তারা “ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি সামরিক পদক্ষেপকে” সমর্থন করবে।

কান জানায়, সৌদি আরবের এই অনুরোধের পেছনে ছিল নিজেদের আবারও তথাকথিত “ইয়েমেনের চোরাবালিতে” আটকে পড়া এড়ানোর চেষ্টা। সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির আগের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই রিয়াদ এমন অবস্থান নিয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যানকে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন কোনো ফ্রন্ট খুলতে ওয়াশিংটনের অনীহার একটি ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

সানা তথা হুথিদের নেতৃত্বাধীন ইয়েমেন সরকার “অবরোধের জবাবে অবরোধ এবং উত্তেজনার জবাবে উত্তেজনা”—এই নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি আগ্রাসনের জবাব হিসেবে এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর লক্ষ্য ইয়েমেনে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় বলে তারা যে পরিস্থিতিকে অভিহিত করে, তার অবসান ঘটানো।

এই নীতির আওতায় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

জুলাই মাসে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী সৌদি আরবের সঙ্গে ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার ঘোষণা দেয় এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। সানা ও অন্যান্য কয়েকটি প্রদেশে ব্যাপক জনসমাগমে অনুষ্ঠিত শুক্রবারের বিক্ষোভে জনগণের ব্যাপক দাবির পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন