প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে আমি কাতারকে 'শত্রু রাষ্ট্র' ঘোষণা করব: নাফতালি বেনেত
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161724-প্রধানমন্ত্রী_নির্বাচিত_হলে_আমি_কাতারকে_'শত্রু_রাষ্ট্র'_ঘোষণা_করব_নাফতালি_বেনেত
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং "বেয়াচাদ" (টুগেদার) পার্টির চেয়ারম্যান নাফতালি বেনেত আইএনএসএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে বলেছেন, তিনি যদি ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তবে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রু রাষ্ট্র ঘোষণা করবেন। তিনি দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারের প্রচারণা চালানোর অভিযোগ তোলেন।
(last modified 2026-07-27T11:39:05+00:00 )
জুলাই ২৭, ২০২৬ ১৭:২১ Asia/Dhaka
  • নাফতালি বেনেত
    নাফতালি বেনেত

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং "বেয়াচাদ" (টুগেদার) পার্টির চেয়ারম্যান নাফতালি বেনেত আইএনএসএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে বলেছেন, তিনি যদি ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তবে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রু রাষ্ট্র ঘোষণা করবেন। তিনি দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারের প্রচারণা চালানোর অভিযোগ তোলেন।

বেনেত বলেন, "পরবর্তী সরকারে আমি কাতারকে এক শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করব। এটি এমন এক ক্যান্সার যা পশ্চিমে, এমনকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও তার প্রভাব বিস্তার করেছে। কাতারের এসব কর্মকাণ্ড ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বেরই পরিপন্থী।"

তিনি বলেন, "কাতারের লক্ষ্য হলো ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ধ্বংস করা। এটি একটি হিংসাত্মক ইহুদি-বিরোধী ক্যান্সার, যা পশ্চিমে এবং এমনকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও বিস্তার লাভ করছে।"

বেনেতের মতে, কাতারের দায়বদ্ধতা কেবল হামাসকে রাজনৈতিক বা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি বলেন, "হামাসের নেতৃত্বাধীন ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদের প্রধান অর্থায়নকারী হিসেবে কাতারের হাত আমাদের ছেলে-মেয়েদের রক্তে রঞ্জিত—যাদের ৭ অক্টোবরে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও অপহরণ করা হয়েছিল।"

বেনেত আরও বলেন, কাতার ইসরায়েলকে দুর্বল করার লক্ষ্যে বহু বছর ধরে একটি বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বিশেষভাবে 'আল জাজিরা' মিডিয়া নেটওয়ার্কের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, "ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে কাতার একটি বিশ্বব্যাপী প্রভাব তৈরির কাজ পরিচালনা করেছে। অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিতভাবে তারা এই ইহুদি-বিরোধী আল জাজিরা নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও অর্থায়ন করে, যা হামাসের বার্তা প্রচার করে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়।"

নিজের বক্তব্যের শেষ অংশে বেনেত বিষয়টি ৭ অক্টোবরের ঘটনার তদন্তের সাথে যুক্ত করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, যদি একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হতো, তবে কাতার ভূমিকা কী ছিল—সেটিই হতো তাদের তদন্তের অন্যতম প্রধান দিক।

তিনি বলেন, "যদি ৭ অক্টোবরের ঘটনা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক একটি তদন্ত কমিশনও গঠন করা হতো, তবে তাদের প্রথম সিদ্ধান্তগুলোর একটি হতো এটাই যে—কাতার একটি শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র এবং এর নেতারা ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চায়।"

পার্সটুডে/এমএ‌আর/২৭